বর্ণবিদ্বেষী মূর্তিপূজার মাঝেই ভাঙলো স্বাধীনতা সংগ্রামী বীর শহীদ রঘুনাথ মাহাত-র মূর্তি

Editorials, Our Voice, Recent

” অপনা গাওঁ অপনা রাজ – দূর ভাগও চাল বাজ”।

লালন কুমার মাহাত: আজকে যে কাহিনী বলবো তা আমার সাংস্কৃতিক নীরবতা, ধর্মীয় উদারতা, সহজ সরলতার বুকে দিকু’দের কু-দৃষ্টির দাবানলের তপ্ত লেলিহান শিখায় ঝলসে যাওয়ার কষ্টমাখা কাহিনী। বুকে ছুরি নিয়ে বেঁচে থাকার এক মরণপণ প্রচেষ্টা। বড় অসহায় আমরা। সময়ে খেতে পায়না – বেশি ভালো খাবার পেলে হজম করতেও পারিনা। ঢেঁকি ছাঁটা চাল আর বালি ঝরা জলের সন্ধানে মন আকপাক করে। দাদু দিদাদের মুখে শোনা শাল পিয়ালের জঙ্গলের মাঝের হারিয়ে যাওয়া সভ্যতার খোঁজে মন ঘুরে বেড়াই আঁদাড়ে পিঁদাড়ে। আঘাতের পর আঘাত। অত্যাচারের পর অত্যাচার।আমি মন্দিরে ঢোকার অনুমতি চাইনি কোনোদিন তবুও কেন যে খুলে দেওয়া হয়েছিল জানিনা। শিখতে চাইনি বাংলা, হিন্দি ওড়িয়া। তবুও বাধ্য হয়ে শিখতে হয়েছে। কখনো বিহার কখনো বাংলা করে হারিয়েছি নিজেদের ঝাড়খন্ডী পরিচিতি। বাইবেল কুড়মালি ভাষায় অনুবাদ হতে হতে থেমে যায়, কিন্তু ব্রহ্মাণ্যবাদের আগ্রাসন থেকে রেহাই পায়নি।

সারা দেশ মেতেছে মূর্তি পূজায়। কোথাও রাজসিক কোথাও বা তামসিক। কোথাও কোথাও আবার অহমিকার প্যান্ডেল রাজপ্রাসাদের মতো মাথা উঁচিয়ে। তারই নিচে কয়েকটা ভিখারি দু চার পয়সা পাওয়ার আশায় – যদি মায়ের কৃপা হয়। আদি রামায়ণে হিন্দুদের দেবতা রামচন্দ্র নাকি সূর্যের তপস্যা করেছিল রাবনের সাথে যুদ্ধ করার আগে, তাহলে কৃত্তিবাস বাবু এমন গল্প জুড়লেন কোথা থেকে। কেই বা দেবে এর উত্তর। যারা ডাইনি প্রথাকে কুসংস্কার বলে হেডলাইন করে আবার টাকা রোজগার করার জন্য পরের পৃষ্ঠায় জ্যোতিষীদের প্রচার করে তাদের কাছে থেকে উত্তর আসা করিনা। নাসার ৩০ শতাংশ বিজ্ঞানী নাকি বাঙালি তাদের ১০০ শতাংশই বিশ্বাস করে মূর্তি পূজায় – তাদের কাছ থেকেও আশা করিনা উত্তরের।

যখন থেকে ঝাড়খণ্ডে বিজেপি সরকার হয়েছে তখন থেকে বেশি করে ব্রাহ্মণ্যবাদী নীতি, ধারা ও ভাবকে চাপিয়ে দিতে উৎসাহী হয়েছে রঘুবর সরকার। সাঁওতালি, ওরাওঁ (কুড়ুখ), হো, মুন্ডারী, কুড়মালি এসব আদিবাসীদের ভাষা ছেড়ে ঝাড়খন্ড সরকার বাংলা, হিন্দি নিয়ে বেশি মাতামাতি করছে। ঝাড়খণ্ডের বীর শহীদদের যথাযোগ্য সম্মান না দিয়ে উচ্চবর্ণের শহীদদের বেশি করে প্রচার করছে। বীরসিংহ গ্রামের নাম কর্মাটাঁড় না করে উল্টো দিকে পা বাড়াচ্ছে। যতই উন্নয়নের প্রদীপ জ্বালুন, যতই জঙ্গলে বসবাস কারীদের খারাপ ভাবে প্রতিস্থাপন করুন বাঁচতে হবে জঙ্গলকে সাথে নিয়েই। সময় বেশি দূরে নেই যখন জল, আর সুস্থ বাতাসের জন্য লড়তে হবে – ছুটে যেতে হবে সেই জঙ্গলেই। অর্গানিক ফার্মিং নিয়েই বাঁচতে হবে – রাসায়নিক খেয়ে মৃত্যু তো সবে শুরু হয়েছে।

আদিবাসীদের সহজ সরলতার মধ্যেই আছে আসল বাঁচার স্বাদ। এ শুধু কথার কথা নয়, ইতিমধ্যেই তা অনুধাবন করতে পেরেছে বিশ্ববাসী। তেমনিভাবে সারা ঝাড়খন্ড ও জঙ্গলমহল সহ সমগ্র ছোটনাগপুরের বুকে এই মূর্তি ভাঙার ফল পোহাতেই হবে। এটার খেসারত‌ও দিতে হবে একদিন তথাকথিত সভ্যতাগর্বী মানুষজনকে।

ঝাড়খণ্ডের রাজধানী রাঁচি থেকে ৫৫ কিলোমিটার দূরে সিলি ব্লকের লোটা-কিতা গ্রামের শিব মন্দিরের কাছে খোদাই করা পাথরটি ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই করে চুয়াড় বিদ্রোহের নায়ক শহীদ রঘুনাথ মাহাত-র বীর বিক্রমের কাহিনী বলে। রঘুনাথ মাহাত এমন একজন ভারত মাতার ভূমিপুত্র ছিলেন যিনি ১৭৬০ সালের দিকে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করেছিলেন এবং তাঁদের চোখের ঘুম কেড়ে নিয়ে ছিলেন। ইতিহাসে রঘুনাথ মাহাত-র নেতৃত্বে লড়াই করা এই যুদ্ধ চুয়াড় বিদ্রোহ হিসাবে পরিচিত। তথাকথিত সভ্য মানুষদের চোখে জঙ্গলমহলের মানুষেরা চুয়াড় হিসাবেই পরিচিত। বলা বাহুল্য ওই সব সভ্য মানুষেরা নিজেদের স্বার্থে ব্রিটিশদের সাথে হাত মিলিয়েছিল এবং এখনো অবধি ওরা নিজেদের স্বার্থ বাঁচাতেই সব ধরনের আপোশে আসতে রাজি। নিজেদের সম্মানহানি হলেও।

কথায় আছে, নিজের বেলা আঁটি সাঁটি – পরের বেলায় দাঁত কপাটি। ভারতবর্ষের উচ্চবর্ণের দ্বারা পরিচালিত মিডিয়ার কাছে কথাটা পুরোপুরি সত্য। যে মানুষগুলো গ্রামে গিয়ে বিজ্ঞান চেতনার জ্ঞান আওড়ে ভূত-প্রেতকে অন্ধবিশ্বাস বলে তারাই আবার ঈশ্বরে বিশ্বাস করে। ভগবান থাকলে ভূতও থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। যে দেশে এখনো মূর্তি পূজার নামে কোটি কোটি টাকা স্বাড়ম্বরে খরচ করা হয় অথচ দরিদ্র মানুষের সাহায্যের জন্য কয়েকটা গাঁটের পয়সা খরচ করতে দ্বিধা বোধ করে অনেকে সেখানে বুজরুকি তো মাথা চাড়া দিয়ে উঠবেই। শুভের সাথে নাকি অশুভের লড়াই! আচ্ছা মশায় তা কোনটা শুভ আর কোনটা অশুভ সেটা কে নির্ধারণ করবে ? আপনাদের মতো নাক‌উঁচু আঁতেলরা ? যারা কালো রঙকে অশুভ বলে প্রচার করেন। কথায় কথায় ব্যবহার করেন ‘ডাল মে কুচ কালা হ্যা’ বাক্যের।

রাঘুনাথ মাহাত-র জন্ম : ২১শে মার্চ, ১৭৩৮ – মৃত্যু : ৫ই এপ্রিল, ১৭৭৮ । ঝাড়খণ্ডের বীর প্রসবিনী রত্নগর্ভা, ধন্য ধরিত্রী ঘুমি অনেক মহান দেশপ্রেমীর জন্ম দিয়েছেন। ব্রিটিশদের অত্যাচার, শোষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে যারা হাসতে হাসতে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন তাদের মধ্যে অমর শহীদ রঘুনাথ মাহাত-র নামটি দেশের দাসত্বের শৃঙ্খলা ভাঙার জন্য স্বর্ণাক্ষরে লিখিত এক নাম। ব্রিটিশরা তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা এবং মার্শাল আর্ট সম্পর্কেও জ্ঞাত ছিল এবং ভয়ও পেত। তাঁর সাথে থাকতেন দেড় শতাধিক সশস্ত্র লোকের একটি যুদ্ধ স্কোয়াড। ফলস্বরূপ, ব্রিটিশ সেনাবাহিনীও ওনাকে ধরার সাহস করেনি সহজে। এই জাতীয় ক্রান্তিবীর রঘুনাথ মাহাত জন্মগ্রহণ করেছিলেন ২১ শে মার্চ, ১৭৩৮ খ্রিস্টাব্দের সেরাইকেলা-খারসওয়ান জেলার নিমডিহ ব্লকের ঘুঁটিয়াডিহ গ্রামের এক কুড়মি কৃষক পরিবারে। তাঁর মা ছিলেন করমী দেবী এবং পিতা কাশীনাথ মাহাত। ইনার পিতা ১২ মৌজার পরগনাইত ছিলেন। রঘুনাথ মাহাত শৈশব থেকেই নির্ভীক ও বিদ্রোহী ছিলেন। একবার কোনও তহসিলদার রঘুনাথ মাহাত-র বাবার সাথে কিছু বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। রঘুনাথ মাহাত বাবার অপমান সহ্য করতে না পেরে তহসিলদারকে গ্রাম থেকে ভাগিয়ে দেয়।

ব্রিটিশরা জল, জঙ্গল ও জমি দখলের পাশাপাশি অন্যায়, নৃশংসতা ও শোষণে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছিল। ঝাড়খণ্ডের জমিতে যার প্রথম বিরোধিতা করেছিলেন রঘুনাথ মাহাত ১৭৬৯ খ্রিস্টাব্দে। এর আগে ব্রিটিশ শাসন শোষনের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস কারও ছিল না। তিনি রাত জেগে কৃষকদের সংগঠিত করতেন এবং ব্রিটিশদের দাসত্ব ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াই করতে উদ্বুদ্ধ করতেন। জনগণকে উ‌‌ৎসাহিত করতেন। তিনি জানতেন যে যদি আত্মসম্মান নিয়ে বাঁচতে হয় তবে লড়াই ছাড়া আর কোনও বিকল্প নেই। ফলস্বরূপ, রঘুনাথ মাহাত ১৭৬৯ সালে ফাল্গুন পূর্ণিমা দিবসে নিমডিহে ব্রিটিশ দমন নীতির বিরুদ্ধে একটি জনসভা ডেকেছিলেন। জনসভার মাঝে রঘুনাথ মাহাত-র কণ্ঠে ধ্বনিত হয়েছিল সেই স্লোগান – ” অপনা গাওঁ অপনা রাজ – দূর ভাগও ব্রিটিশ রাজ”। সেই বিশাল জনসভায় উপস্থিত সকলেই ব্রিটিশদেরকে কোনও প্রকারের কর না দেওয়ার শপথ নিয়েছিলেন।

এর পরে জন-বিদ্রোহের সূত্রপাত শুরু হয় এবং বিপ্লবের এই স্ফুলিঙ্গটি পাতকুম, বরহাভুম, ধলভূম, মেদিনীপুর, গামহারিয়া, সিলি, সোনাহাতু, বুন্ডু, তামাড়, রামগড় প্রভৃতি অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। ব্রিটিশদের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য পাওয়া প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। জব্দকৃত জমি আবার ব্রিটিশদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়- ফিরিয়ে দেওয়া হয় জমির আসল মালিকদের হাতে। রঘুনাথ মাহাত-র নেতৃত্বে তাঁর বিদ্রোহী দলটি প্রতিটি গ্রামে প্রস্তুত হতে শুরু করে। তীর ধনুক, টাঙ্গি, কুড়াল, গুলাল ছিল তাদের প্রধান অস্ত্র। এই সাধারণ অস্ত্রগুলির শক্তির উপর ভরসা করেই রঘুনাথ মাহাত বহুবার বন্দুক এবং কামানের সজ্জিত ব্রিটিশ সেনাবাহিনীকে পরাজিত করেছিলেন। রঘুনাথ মাহাত জঙ্গলমহলে একজন শক্তিশালী লড়াইয়ে নেতা হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেন। তিনি কৃষকদের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন পান।

৫ এপ্রিল, ১৭৭৮ সালে রাঁচি জেলার সিলি ব্লকের কিতা-লোটের বনের কাছে রঘুনাথ মাহাত এবং তার দলবল রামগড় পুলিশ সেনানিবাসে ইংরেজ সৈন্যদের উপর হামলা করার কৌশল তৈরি করছিলেন। এমন সময় কাপুরুষ ব্রিটিশদের আচানক আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রানপন লড়াই-এ রঘুনাথ মাহাত সহ কয়েক জন দেশপ্রেমিক শহীদ হয়েছিলেন। এমন সাহসী শহীদদের আমাদের গভীর শ্রদ্ধা ছিল, আছে ও থাকবে।

সভার পরে, রঘুনাথ মাহাত তাঁর সঙ্গীদের সাথীদের বন্দুক ছিনতাই করার জন্য রামগড় পুলিশ ব্যারাকে আক্রমণ করার সিদ্ধান্ত হয়। সেই পরিকল্পনার খবর ব্রিটিশরা গুপ্তচরদের মাধ্যমে পেয়ে যায়। ব্রিটিশ পুলিশ তাঁর মিশনের অংশ হিসাবে রঘুনাথ মাহাত এবং অন্যান্য বিদ্রোহীদের আক্রমণ করেছিল। হঠাৎ আক্রমনে রঘুনাথ মাহাত তাঁর সঙ্গীদের সাথে নিয়ে সভার জায়গা থেকে নালা পার হয়ে কিতা গ্রামের গিয়ে আত্মরক্ষার চেষ্ঠা করে। স্বল্প ক্ষমতা নিয়ে ব্রিটিশ পুলিশের বিরুদ্বে রুখে দাঁড়ান। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। অনেকেই ব্রিটিশের গুলিতে সেখানেই লুটিয়ে পড়েন। কিন্তু ব্রিটিশ পুলিশের গুলিতে রঘুনাথ মাহাত‌ও আহত হন, গুলি এবং বল্লাম একযোগে তাকে আক্রমণ করে ব্রিটিশ পুলিশ। নির্মমভাবে হত্যা করা হয় তাঁকে। পতন ঘটে বিদ্রোহের। নেতৃত্বের অভাভব ছিন্ন ভিন্ন হয়ে পড়ে বিদ্রোহীরা। কিন্তু ব্রিটিশদের শাসনের শেষের শুরুটা হয় যায়। এরপর থেকে লাগাতার বিদ্রোহের আগুন বিচ্ছিন্ন ভাবে হলেও মাঝে মাঝেই ঝিলিক দিতে থাকে বিভিন্ন জায়গায়। ছড়িয়ে পড়ে সারা ঝাড়খন্ডে, সারা বাংলায়। সারা ভারতবর্ষে। বীর শহীদ রঘুনাথ মাহাত-র আত্মত্যাগ সফল হয়। তিনিও নিশ্চয় চেয়েছিলেন, ব্রিটিশ শাসন-শোষনের বিরুদ্বে গর্জে উঠুক সারা দেশ। রঘুনাথ মাহাত-র শহীদ স্থানে পাথর ছোঁড়া এখনও তাঁর বীরত্বপূর্ণ শাহাদতের কথা মনে করিয়ে দেয়।

কথিত আছে যে রঘুনাথ মাহাত-র স্মরণে একটি পাথর সমাধিস্থ করা হয়েছিল, অন্য পাথরটি তাঁর সহকর্মী বুলি মাহাত-র স্মরণে সমাধিস্থ করা হয়েছিল। এর পাশাপাশি, কিতা জাহের স্থানের পশ্চিমে দুটি পাথর ছাড়াও শহীদদের স্মরণে আরও অনেক পাথর সমাহিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে শহীদদের স্মরণে সমাধিস্থ হওয়া পাথরের দৃশ্যটি চুয়াড় বিদ্রোহের স্মরণ করিয়ে দেয়। এটি উল্লেখ করার মতো যে প্রতি বছর ৫ এপ্রিল রঘুনাথ মাহাত এবং তাঁর সহযোদ্ধাদের প্রতি এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের শ্রদ্ধা নিবেদন করে সম্মানিত করা হয়।

আমরা আমাদের জঙ্গল, রুখা সুখা জমি এসব নিয়ে ভালই আছি, ছিলাম – থাকতে চেয়েছি কিন্তু কে বা কারা ভেঙে দিয়েছে ঝাড়খন্ডী বীর শহীদ পরাক্রমী স্বাধীনতা সংগ্রামী রঘুনাথ মাহাত-র মূর্তি। সারা দেশের কুড়মি সমাজ যখন তাদের উপর নানারকম বঞ্চনা, জোর করে ভাষা- সংস্কৃতি- ধর্ম চাপিয়ে দেওয়ার নিকৃষ্টতম শয়তানির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াচ্ছে তখন কুড়মি সমাজ তথা আদিবাসী সমাজের উপর এরকম অত্যাচার, অপমান আরও একবার উস্কে দিল নতুন বিদ্রোহের আগুনের ফুল্কি।

Leave a Reply